তৃতীয়বাংলা ডেস্ক:
ইংল্যান্ডের সামাজিক সেবা (সোশ্যাল কেয়ার) ব্যবস্থার উন্নয়নে অর্থ জোগাড় করতে ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম।
সামাজিক সেবা নিয়ে এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমান অর্থের আরও ভালো ব্যবহার করা সম্ভব। তবে বড় ধরনের সংস্কার করতে হলে অতিরিক্ত অর্থেরও প্রয়োজন হবে।
বার্নহাম বলেন, তাঁর বাবা আলঝেইমার রোগে ভুগছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বুঝেছেন, যারা অসুস্থ ও বয়স্ক মানুষের সেবা করেন, তাদের আরও সম্মান ও ভালো বেতন পাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “যারা মানুষের যত্ন নেন, তাদের সমাজে সবচেয়ে ভালো বেতন পাওয়া উচিত, সবচেয়ে কম নয়।”
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, সামাজিক সেবা কর্মীদের বেতন বাড়ানো এবং তাদের আরও ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে, সামাজিক সেবা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যারোনেস কেসির নেতৃত্বে চলা পর্যালোচনার প্রতিবেদন ২০২৭ সালে প্রকাশ করা হবে। প্রতিবেদনে একটি জাতীয় কেয়ার সার্ভিস গঠনের বিষয়ও বিবেচনা করা হবে।
বর্তমানে ইংল্যান্ডে সামাজিক সেবার বেশিরভাগ কাজ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে। এই খাতের অনেক কর্মী কম বেতন পান বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক সেবা বলতে অসুস্থ, প্রতিবন্ধী বা বয়স্ক ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরিচর্যাকে বোঝায়। তবে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে এই সেবা আলাদা ব্যবস্থায় পরিচালিত হয়।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.