শিক্ষা-সাহিত্য

জবি অস্থিতিশীলতায় ছাত্রদলের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১১:২৩

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে আয়োজিত ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্রদল।

সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্রশিবিরের ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী জোরপূর্বক প্রবেশ করে অনুষ্ঠানটি ভণ্ডুল করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। চলমান অনুষ্ঠানকে পণ্ড হওয়া থেকে রক্ষা এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দেন। পরবর্তীতে শিবিরের উস্কানিমূলক আচরণের ফলেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ছাত্রশিবির এখন দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরের দাবির কথা বলছে। অথচ বাস্তবতা হলো, এই দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল ছাত্রদল ও অন্যান্য প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন; সেই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল ছাত্রশিবিরই। নিয়মতান্ত্রিকভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর তাদের আকস্মিক সক্রিয়তা এবং ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, তাদের লক্ষ্য ছিল উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাব বিস্তার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মারক অনুষ্ঠানকে বিতর্কিত করা।

‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের সশস্ত্র মহড়া, অনলাইনে জামায়াত ও শিবিরের শীর্ষনেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং সারাদেশে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাও একই পরিকল্পনার অংশ বলে আমরা মনে করি। অন্যদিকে, জামায়াত শিবির কর্তৃক ধর্ষণ, নারী কেলেঙ্কারি ও বিকৃত যৌনাচারের ঘটনা ক্রমাগত ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারণে তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে নিজেদের ভাবমূর্তি রক্ষা করার চেষ্টা করছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তবে, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, উস্কানি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ছাত্রদল অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দৃঢ় অবস্থানে থাকবে।

শিক্ষা-সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন