তৃতীয়বাংলা ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি একসঙ্গে পাঁচটি নতুন আইফোন মডেল বাজারে আনতে পারে।
সম্ভাব্য এই নতুন সিরিজে থাকবে স্ট্যান্ডার্ড iPhone 18, নতুন প্রজন্মের iPhone Air, iPhone 18 Pro, iPhone 18 Pro Max এবং অ্যাপলের বহুল আলোচিত প্রথম Foldable iPhone।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের (DRAM ও NAND) সরবরাহ সংকট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে চিপের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে স্মার্টফোন নির্মাতাদের উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি ও শক্তিশালী সাপ্লাই চেইনের কারণে অ্যাপল এই পরিস্থিতিতে প্রতিযোগীদের তুলনায় তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
জানা গেছে, ফোল্ডেবল আইফোনের সম্ভাব্য চাহিদার কথা বিবেচনা করে অ্যাপল এর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও বাড়িয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় এক কোটি ইউনিট উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই কৌশলের মাধ্যমে অ্যাপল প্রিমিয়াম স্মার্টফোন বাজারে নিজেদের অংশীদারিত্ব আরও বাড়াতে চায়। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে বৈচিত্র্যময় পণ্যের ওপর জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে এসব তথ্য এখনো বিভিন্ন সরবরাহ শৃঙ্খল-সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে। অ্যাপল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। ফলে চূড়ান্ত মডেল, উৎপাদন পরিকল্পনা কিংবা বাজারে আনার সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
তথ্য প্রযুক্তি থেকে আরো পড়ুন