প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬ ০৫:০৫
এম মোস্তফা,স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে দুই দলই। ফলে আগামী ১৫ জুলাই (বুধবার) অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।
আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে ওঠে। ম্যাচের ১০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দলকে এগিয়ে দেন। পরে সুইজারল্যান্ড সমতা ফেরালেও অতিরিক্ত সময়ে জুলিয়ান আলভারেজ (১১২') এবং লাউতারো মার্তিনেজ (১২০+১') গোল করে আলবিসেলেস্তেদের জয় নিশ্চিত করেন। আক্রমণভাগের ধারালো ফুটবল ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে আর্জেন্টিনা আবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডকে লড়তে হয়েছে কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ৩৬ মিনিটে পিছিয়ে পড়লেও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহ্যাম সমতা ফেরান। অতিরিক্ত সময়ের ৯৩ মিনিটে তাঁর দ্বিতীয় গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় থ্রি লায়ন্সরা। চাপের মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এবারের সেমিফাইনাল শুধু দুটি দলের লড়াই নয়, এটি ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় লেখার সুযোগ।
অতীতের বহু স্মরণীয় দ্বৈরথের মতো এবারও দুই দলের লক্ষ্য একটাই—ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের গতি ও সৃজনশীলতার বিপরীতে ইংল্যান্ডের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং পাল্টা আক্রমণের কৌশল ম্যাচটিকে করে তুলতে পারে রুদ্ধশ্বাস।
ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই। কে জিতবে—দক্ষিণ আমেরিকার পরাশক্তি আর্জেন্টিনা, নাকি ফুটবলের জন্মভূমি ইংল্যান্ড? উত্তর মিলবে সেমিফাইনালের ৯০ মিনিট, কিংবা প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় লড়াই শেষে।
খেলাধুলা থেকে আরো পড়ুন