শিল্প-সংস্কৃতি

ইকো-ফ্রেন্ডলি বিশ্বে বাংলাদেশ: সোনালী আঁশ ও হারিয়ে যাওয়া শিল্পের পুনর্জাগরণের সময় এখনই

লেখক: এম. মোস্তফা

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:৫৬

বিশ্ব আজ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশদূষণ এবং প্লাস্টিকের ভয়াবহ ক্ষতির কারণে উন্নত দেশগুলো ক্রমেই পরিবেশবান্ধব বা Eco-Friendly পণ্যের দিকে ঝুঁকছে। প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে বিশ্ববাজারে এখন প্রয়োজন হচ্ছে পাট, বাঁশ, কাগজ, প্রাকৃতিক তন্তু ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্য।

অদ্ভুত হলেও সত্য—যে পণ্যগুলোর দিকে বিশ্ব আজ নতুন করে তাকাচ্ছে, তার অন্যতম প্রধান উৎস বাংলাদেশের মাটিতেই রয়েছে। আমাদের সেই সোনালী আঁশ—পাট একসময় বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্প ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি ছিল।

বাংলাদেশের পাট শুধু একটি কৃষিপণ্য ছিল না; এটি ছিল আমাদের জাতীয় অর্থনীতির পরিচয়, লাখো কৃষকের জীবিকার উৎস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ পাট ও পাটজাত পণ্যের বিশ্ববাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল। ১৯৭০-এর দশকে বাংলাদেশের উৎপাদিত পাটজাত পণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ রপ্তানি হতো এবং ১৯৮২-৮৩ অর্থবছরে বিশ্ব পাটজাত পণ্যের বাণিজ্যের প্রায় ৪৩ শতাংশ বাংলাদেশের দখলে ছিল বলে বিশ্বব্যাংকের ঐতিহাসিক নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে বিশ্ববাজার বদলেছে। পাটের জায়গা দখল করেছে সস্তা সিনথেটিক ফাইবার ও প্লাস্টিক। একই সঙ্গে আমাদের শিল্পে প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, গবেষণা, নতুন পণ্য উদ্ভাবন, ব্র্যান্ডিং ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ যথেষ্ট গতিতে হয়নি। ফলে একসময় যে পাটকে আমরা “সোনালী আঁশ” বলে গর্ব করতাম, সেই শিল্প আজও তার সম্ভাবনার তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

পাটকে শুধু বস্তা ও দড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না

বর্তমান বিশ্ববাজারে পাটের ভবিষ্যৎ শুধু চটের বস্তা, দড়ি বা প্রচলিত হেসিয়ান কাপড়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পাট থেকে তৈরি হতে পারে আধুনিক শপিং ব্যাগ, ফ্যাশন পণ্য, জুতা, আসবাবপত্র, কার্পেট, হোম ডেকর, প্যাকেজিং সামগ্রী, জিওটেক্সটাইল, কৃষি উপকরণ, অটোমোটিভ কম্পোজিটসহ বহু উচ্চমূল্যের পণ্য।

জাতিসংঘের একটি পুরোনো শিল্পবিষয়ক নথিতেও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাটকে তুলা ও অন্যান্য তন্তুর সঙ্গে মিশিয়ে নতুন পণ্য তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। এমনকি পাটকে কাগজের পাল্প হিসেবেও ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ সমস্যা পাটে নয়; বড় প্রশ্ন হলো—আমরা পাটকে কতটা আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও শিল্প-উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পেরেছি?

সাম্প্রতিক শিল্পবিশ্লেষণেও দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের পাটখাতের অন্যতম সমস্যা পুরোনো যন্ত্রপাতি, কম উৎপাদনশীলতা, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় এবং নতুন ও মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরিতে গবেষণা ও প্রযুক্তির ঘাটতি।

তাই এখন প্রয়োজন পাটশিল্পকে অতীতের স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষণ করা নয়; বরং “Smart Jute Industry” হিসেবে নতুনভাবে গড়ে তোলা।

বিশ্ব যখন প্লাস্টিকের বিকল্প খুঁজছে

আজ ইউরোপ, আমেরিকা এবং বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। ভোক্তারা জানতে চাইছেন—একটি পণ্য কোথা থেকে এসেছে, কী দিয়ে তৈরি হয়েছে এবং ব্যবহারের পর সেটি পরিবেশের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে।

এখানেই বাংলাদেশের জন্য রয়েছে বড় সম্ভাবনা।

পাট একটি প্রাকৃতিক তন্তু। ফলে পরিবেশবান্ধব পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পাটকে একটি শক্তিশালী “Green Bangladesh”ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

কিন্তু কাঁচা পাট বা কমমূল্যের প্রচলিত পণ্য রপ্তানি করে সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাবে না। প্রয়োজন হবে—

* আধুনিক জুট প্রসেসিং প্রযুক্তি;

* স্বয়ংক্রিয় ও শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি;

* আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার;

* গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D);

* ডিজাইন ও ফ্যাশন উদ্ভাবন;

* জুট কম্পোজিট ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল;

* জিওটেক্সটাইল ও কৃষি উপকরণ;

* পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং;

* আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন;

* শক্তিশালী ব্র্যান্ডিং ও ই-কমার্স;

* এবং বিশ্ববাজারে সরাসরি বিপণন।

সাম্প্রতিক শিল্পখাতের আলোচনাতেও এই ধরনের পণ্য—বিশেষ করে পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং, লাইফস্টাইল পণ্য, জিওটেক্সটাইল ও প্রযুক্তিনির্ভর জুট পণ্যের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে।

নিউজপ্রিন্ট শিল্পের হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়

বাংলাদেশের শিল্প ইতিহাসে আরেকটি বেদনাদায়ক অধ্যায় হলো নিউজপ্রিন্ট শিল্পের পতন।

খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশের কাগজশিল্পের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান ছিল এবং একসময় দেশের সংবাদপত্র শিল্পের জন্য বিপুল পরিমাণ নিউজপ্রিন্ট সরবরাহ করত। ঐতিহাসিক নথিতে এর উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতার কথাও পাওয়া যায়।

কিন্তু প্রযুক্তির পরিবর্তন, কাঁচামালের সংকট, জ্বালানি ব্যয়, আর্থিক সমস্যা, বাজারের পরিবর্তন এবং আমদানি করা কাগজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে এই শিল্প ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে।

খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল শেষ পর্যন্ত ৩০ নভেম্বর ২০০২ সালে বন্ধ হয়ে যায়। সাম্প্রতিক একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকে আমদানি করা নিউজপ্রিন্টের ওপর শুল্ক কমে যাওয়ার ফলে দেশীয় উৎপাদনের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও দুর্বল হয়; পাশাপাশি জ্বালানি, কাঁচামাল ও কার্যকরী মূলধনের সমস্যাও মিলটির সংকট বাড়ায়।

একটি শিল্প শুধু একটি কারখানা নয়। একটি কারখানার সঙ্গে যুক্ত থাকে শ্রমিক, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ, সরবরাহকারী, পরিবহনব্যবস্থা, স্থানীয় বাজার এবং একটি পুরো শিল্প-ইকোসিস্টেম।

তাই কোনো শিল্প হারিয়ে গেলে শুধু একটি ভবন বন্ধ হয় না—হারিয়ে যায় দক্ষতা, প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তৈরি হওয়া শিল্পজ্ঞান।

অতীতকে ফিরিয়ে নয়, ভবিষ্যৎকে তৈরি করতে হবে

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত পুরোনো শিল্পকে হুবহু ফিরিয়ে আনা নয়। বরং পুরোনো অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে নতুন প্রযুক্তির শিল্প গড়ে তোলা।

বাংলাদেশ চাইলে পাট ও কাগজ—এই দুই ঐতিহ্যকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে পারে।

পাট থেকে পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং ও কাগজের কাঁচামাল তৈরি হতে পারে। কৃষি ও শিল্পবর্জ্য ব্যবহার করে আধুনিক পাল্প ও পেপার প্রযুক্তি উন্নত করা যেতে পারে। পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাগজ, পাটভিত্তিক প্যাকেজিং এবং বায়ো-বেইজড ম্যাটেরিয়াল নিয়ে নতুন শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব।

অর্থাৎ “পাট থেকে পণ্য, পণ্য থেকে প্রযুক্তি, প্রযুক্তি থেকে বিশ্ববাজার”—এই চেইনটি তৈরি করতে হবে।

কী করা যেতে পারে?

প্রথমত, বাংলাদেশে একটি জাতীয় জুট টেকনোলজি ও ইনোভেশন মিশন নেওয়া যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত, পুরোনো জুট মিলগুলোকে শুধু জমি বা সম্পত্তি হিসেবে না দেখে আধুনিক শিল্পাঞ্চলে রূপান্তরের পরিকল্পনা করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানির মধ্যে যৌথ গবেষণা চালু করা প্রয়োজন।

চতুর্থত, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য Jute Startup Fund তৈরি করা যেতে পারে, যাতে তারা পাট থেকে নতুন পণ্য তৈরি করে বিশ্ববাজারে যেতে পারেন।

পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি ও সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কারণ বিশ্ববাজারে শুধু “Eco-Friendly” বললেই হবে না—পণ্যের পরিবেশগত ও কারিগরি বৈশিষ্ট্যের আন্তর্জাতিক প্রমাণও প্রয়োজন।

ষষ্ঠত, বাংলাদেশের পাটের জন্য একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড তৈরি করতে হবে—

“Bangladesh Jute — Natural, Renewable, Sustainable.”

এটি শুধু একটি স্লোগান নয়; এর পেছনে থাকতে হবে মান, প্রযুক্তি, গবেষণা ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহব্যবস্থা।

আমাদের শিল্পনীতি কি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত?

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—শিল্পকে শুধু ভর্তুকি দিয়ে টিকিয়ে রাখা যায় না।

শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক করতে হয়।

পুরোনো যন্ত্রপাতি রেখে আধুনিক বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন। সাম্প্রতিক বাংলাদেশি শিল্পখাতের আলোচনাতেও পুরোনো প্রযুক্তি, দুর্বল গবেষণা, সীমিত পরীক্ষাগার সুবিধা ও দুর্বল ব্র্যান্ডিংকে পাটখাতের বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাই প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

প্রযুক্তি + গবেষণা + দক্ষ মানবসম্পদ + অর্থায়ন + মাননিয়ন্ত্রণ + ব্র্যান্ডিং + বাজার—এই সাতটি স্তম্ভের ওপর দাঁড় করাতে হবে বাংলাদেশের নতুন পাটশিল্প।

কৃষকের কথাও ভুললে চলবে না

পাটশিল্পের পুনর্জাগরণ মানে শুধু মিল মালিক বা রপ্তানিকারকের উন্নয়ন নয়। এর কেন্দ্রে থাকতে হবে পাটচাষি।

কৃষক ন্যায্যমূল্য না পেলে ভালো মানের পাট উৎপাদনে আগ্রহ হারাবেন। আবার শিল্পে পর্যাপ্ত কাঁচামাল না থাকলে আধুনিক কারখানাও টেকসই হবে না।

তাই কৃষক থেকে কারখানা, কারখানা থেকে রপ্তানি—পুরো মূল্যশৃঙ্খলকে একসঙ্গে উন্নত করতে হবে।

উন্নত জাত, জলবায়ু-সহনশীল চাষাবাদ, আধুনিক পাট পচন প্রযুক্তি, মানভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ এবং ডিজিটাল বাজারব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

একটি নতুন শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের সামনে এখন একটি ঐতিহাসিক সুযোগ রয়েছে।

বিশ্ব যখন জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর ও প্লাস্টিকনির্ভর পণ্য থেকে ধীরে ধীরে টেকসই বিকল্পের দিকে যাচ্ছে, তখন আমাদের কাছে রয়েছে পাটের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে প্রায় ৮৮৩.৬৯ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করেছে বলে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ খাতটি হারিয়ে যায়নি; বরং এর পুনর্গঠনের সুযোগ এখনো রয়েছে।

প্রশ্ন হলো—আমরা কি আবার শুধু কাঁচামাল ও সাধারণ পণ্য বিক্রি করব, নাকি প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চমূল্যের পণ্য তৈরি করে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের নতুন পরিচয় তৈরি করব?

শেষ কথা

বাংলাদেশের ইতিহাসে পাট শুধু অতীতের গৌরব নয়। এটি ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও।

একসময় যে সোনালী আঁশ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তি দিয়েছিল, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেই পাটই আবার বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হতে পারে।

একইভাবে, যে নিউজপ্রিন্ট শিল্প একসময় দেশের শিল্পায়নের প্রতীক ছিল, তার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন প্রজন্মের পরিবেশবান্ধব কাগজ, প্যাকেজিং ও বায়ো-বেইজড ম্যাটেরিয়াল শিল্প গড়ে তোলা যেতে পারে।

আমাদের এখন অতীতের গল্প বলে গর্ব করার সময় নয়; অতীতের সাফল্য থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের শিল্প তৈরি করার সময়।

বিশ্ব যখন Eco-Friendly অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকবে কেন?

আমাদের পাট আছে, কৃষক আছে, শ্রমশক্তি আছে, উদ্যোক্তা আছে, নদী-বিধৌত উর্বর মাটি আছে—প্রয়োজন শুধু সঠিক প্রযুক্তি, গবেষণা, বিনিয়োগ, নীতি এবং দূরদর্শী শিল্পপরিকল্পনা।

সোনালী আঁশকে আবার সোনালী সম্ভাবনায় পরিণত করতে হবে।

বাংলাদেশের পাট শুধু অতীতের গৌরব নয়—সঠিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এটি হতে পারে বাংলাদেশের সবুজ ভবিষ্যতের অন্যতম ভিত্তি।

— এম. মোস্তফা

সম্পাদক, তৃতীয়বাংলা 

শিল্প-সংস্কৃতি থেকে আরো পড়ুন